মীরসরাইয়ে ট্রেন দুর্ঘটনা: আহত আরও একজনের মৃত্যু

চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে ট্রেন-মাইক্রোবাস দুর্ঘটনায় প্রাণে বেঁচে যাওয়া সাত জনের মধ্যে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আয়াতুল ইসলাম আয়াত (১৭) মারা গেছেন। এ নিয়ে ওই দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা ১২ জনে দাঁড়িয়েছে।

আজ শুক্রবার দুপুর আড়াইটায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। আয়াত হাটহাজারী থানার চিকনদণ্ডী ইউনিয়নের খন্দখিয়া গ্রামের আবদুল শুক্কুরের ছেলে। সে এস নজুমিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল।

আয়াতের চাচা ফরুক আহমেদ বলেন, ‘সে চার দিন ধরে আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিল। আজ দুপুর আড়াইটার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে।’চমেক হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ডা. প্রণয় কুমার দত্ত বলেন, সোমবার বিকেলে নিউরো-সার্জারি বিভাগ থেকে আহত আয়াতকে আইসিইউতে স্থানান্তর করেন চিকিৎসকরা। তার মাথায় আঘাত ছিল, মাল্টিপল ট্রমাসহ বিভিন্ন সমস্যা ছিল তার।

চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আলাউদ্দিন তালুকদার বলেন, ‘মীরসরাইয়ে ট্রেন-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে আহত আয়াতকে দুপুর আড়াইটার দিকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। আহত অন্যদের মধ্যে ইমনকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। বাকি পাঁচজন এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। তারা হলেন- তানভীর হাসান হৃদয়, নাহিদুল আলম সৈকত, মাহাবুব হাসান মাহিন ও তৌকির ইবনে শাওন।’

প্রসঙ্গত, গত ২৯ জুলাই আর অ্যান্ড জে কোচিং সেন্টারের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ ১৬ জন শুক্রবার সকাল ৮টায় হাটহাজারীর আমানবাজার থেকে মাইক্রোবাসে খৈয়াছড়া ঝর্ণায় ঘুরতে যান। ফেরার পথে দুপুর পৌনে ২টার দিকে বড়তাকিয়া রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় তাদের বহনকারী মাইক্রোবাস লাইনে উঠে পড়লে চট্টগ্রামমুখী মহানগর প্রভাতী ট্রেন ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই ১১ জন নিহত হন। আহত হন আরও পাঁচ জন। তাদের মধ্যে আজ আরও একজনের মৃত্যু হলো।

Leave a Reply

Your email address will not be published.