পুলিশের ওপর সাধারণ মানুষের চড়াও হওয়ার ঘটনা দুঃখজনক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সম্প্রতি পুলিশের ওপর সাধারণ মানুষের চড়াও হওয়ার ঘটনাকে দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান। তিনি বলেন, যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে তাদের সংযত হওয়া উচিত ছিল।গতকাল শনিবার (১১ জুন) রাজধানীর কাকরাইলে আইডিবি’র প্রতিনিধি সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, দেশের বিভিন্ন স্থানে পুলিশের ওপর হামলা হয়েছে।তিনি বলেন, নারায়ণগঞ্জ ও মোহাম্মদপুরের ঘটনায় পুলিশকে মারধরকারীদের সংযত থাকার দরকার ছিল। পুলিশের গায়ে হাত তুলবে আর পুলিশ বসে থাকবে তা হবে না।

আরো পড়ুন> মৌসুমীকে অসম্মান করে কথা বলায় জায়েদ খানকে চড় মারেন ওমর সানী। পরিপ্রেক্ষিতে জায়েদ তার বন্দুক বের করে ওমর সানীকে গুলি করার হুমকি দেন।গত শুক্রবার ডিপজলের ছেলের বিয়ের আয়োজনে এই ঘটনা ঘটে। দুদিন ধরে আলোচনা-সমালোচনা চলছে চলচ্চিত্র অঙ্গন থেকে শুরু করে নেটদুনিয়ায়। কিন্তু যাকে নিয়ে এই দুই চিত্রনায়ক দ্বন্দ্বে জড়ান সেই চিত্রনায়িকা মৌসুমী মুখ খুলেননি বিষয়টি নিয়ে। এবার তিনি মুখ খুললেন, বললেন, ওমর সানী মিথ্যাচার করছে, জায়েদ আমাকে অসম্মান করেনি।এই চিত্রনায়িকার ভাষ্য,‘আমি মনে

করি আমার প্রসঙ্গটা টানার কোনো প্রয়োজন ছিল না। আমি জায়েদকে অনেক স্নেহ করি ও আমাকে যথেষ্ট সম্মান করে। আমাদের মধ্যে যতটুকু কাজের সম্পর্ক, সেটা খুবই ভালো একটা সম্পর্ক। সেখানে ও আমাকে অসম্মান করার কোনো প্রশ্নই ওঠে না। আর ওর মধ্যে গুণ ছাড়া এ ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটাতে পারে এমন কিছুই আমি দেখিনি। তারপর বলব ও অনেক ভালো ছেলে। সে কখনই আমাকে অসম্মান করেনি।’মৌসুমী বলেন, ‘কেন এই প্রশ্নটা বারবার আসছে, সে আমাকে বিরক্ত করছে- উত্ত্যক্ত করছে, এই জিনিসটা আমার আসলে… জানি না

এটা কেন হচ্ছে। এটা যদিও একান্ত আমাদের ব্যক্তিগত সমস্যা। সে সমস্যা আমাদের পারিবারিকভাবেই সমাধান করা দরকার ছিল।’এই অভিনেত্রী বলেন, ‘আমি মনে করি, এখানে জায়েদের খুব একটা দোষ আমি পাইনি। আরেকটা কথা বলতে চাই, আমাকে ছোট করার মধ্যে আমাদের… যাকে আমরা অনেক শ্রদ্ধা করে আসছি সেই ওমর সানী ভাই কেন এত আনন্দ পাচ্ছেন- সেটা আমি বুঝতে পারছি না।

আমার কোনো সমস্যা থাকলে অবশ্যই আমার সঙ্গে সমাধান করবে, সেটিই আমি আশা করি। ’সাংবাদিকদের উদ্দেশে মৌসুমী আরও বলেন,‘আপনারা সাংবাদিক ভাইরা আসলে একটা নিউজ পেলে, কথা না বলেই প্রকাশ করেন। এটা আসলে ঠিক না। এটা আসলে আলোচনা করা উচিত। যেহেতু আমার প্রসঙ্গ আসছে, তাই বিষয়টি আমার সঙ্গে আলোচনা করে নিতেন, তাহলে হয়তো প্রসঙ্গটা লিখতেনই না। তিনি (সানী) আসলে এক তরফা বলেছেন, কিন্তু আমি বলেছি কি-না, আমি অভিযোগ করেছি কি-না; জানাটা খুব বেশি জরুরি ছিল।’

Leave a Reply

Your email address will not be published.