লুঙ্গি পরে ডা’কাত সর্দারের কাছে পু’লিশ সুপার!

রোববার (২৭ জুন) গভীর রাতে লুঙ্গি পরে গ্রামবাসী সেজে আসা চট্টগ্রাম জে’লা পু’লিশের একটি টিম রাউজান উপজে’লার কদলপুর এলাকা থেকে পলায়নরত অবস্থায় তাকে আ’ট’ক করে। পরবর্তীতে সেলিমের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী তার বসতবাড়ি থেকে দুটি ব’ন্দু’কসহ ডা’কাতির কাজে ব্যবহৃত বেশকিছু ধারালো অ’স্ত্র উ’দ্ধা’র হয়।ঘটনার বিবরণে জানা যায়, রোববার দিবাগত রাতে চট্টগ্রামের সহকারী পু’লিশ সুপার (এএসপি) (রাউজান- রাঙ্গুনিয়া সার্কেল) মো. আনোয়ার হোসেন শামীমের নেতৃত্বে রাউজান থা’নার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল্লাহ আল হারুন,

পরিদর্শক ত’দ’ন্ত মো. কায়সার হামিদসহ পু’লিশের একটি চৌকস দল লুঙ্গি পরিধান করে গ্রামবাসীর ছদ্মবেশ ধারণ করে রাউজানের কদলপুর এলাকায় ডা’কাত সর্দার সেলিমকে ধরতে অ’ভিযান পরিচালনা করে। এ সময় পলায়নরত অবস্থায় সেখান থেকে তাকে আ’ট’ক করা হয়। পরবর্তীতে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী তার বসতবাড়ির রান্নাঘরে লাকড়ির ভেতর লুকানো অবস্থায় একটি দেশীয় তৈরি ব’ন্দু’ক, ১টি খেলনা রিভলবার (ডা’কাতির কাজে ব্যবহৃত), ১টি রাম’দা, ২টি ছোড়া এবং ১টি কিরিচ উ’দ্ধা’র করা হয়।পু’লিশ সূত্রে জানা যায়, আ’ট’ককৃত সেলিম

রাউজান উপজে’লার কদলপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ শমশের পাড়া গ্রামের মৃ’ত আমির হোসেনের ছে’লে। মূলত ২০০০ সাল থেকেই অ’প’রা’ধ কর্মের সঙ্গে যু’ক্ত হন। প্রথমে ছোটখাটো ছিনতাই, ভাড়াটে স’ন্ত্রা’সী প্রভৃতি হিসেবে কাজ করলেও মূলত ২০১৫ সালের পর তিনি নিজেই একটি ডা’কাত দল গঠন করে চট্টগ্রাম বিভাগের বিভিন্ন জায়গায় ডা’কাতি শুরু করেন।এ প্রসঙ্গে অ’ভিযানের নেতৃত্বে থাকা সহকারী পু’লিশ সুপার (এএসপি) মো. আনোয়ার হোসেন শামীম বলেন, অনেকবার চেষ্টা করেও অ’ত্যন্ত ধূর্ত স্বভাবের এই ডা’কাত সর্দারকে ধরতে পারছিলাম না। তাই এবার আম’রা লুঙ্গি পরে গ্রামবাসীর ছদ্মবেশ নিয়েছিলাম।

Leave a Reply

Your email address will not be published.