Breaking News

নেত্রকোণা সদর হাসপাতালে গৃহবধূর লাশ ফেলে পালিয়েছে স্বামী ও শাশুড়ী

নেত্রকোণা আধুনিক সদর হাসপাতালে গৃহবধুর লাশ রেখে পালিয়ে গেল স্বামী ও শাশুড়ী। পরে নেত্রকোণা আধুনিক সদর হাসপাতালে পোস্টমর্টেম শেষে ২২জুন ভিকটিমের বাবার কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে।সোমবার (২১জুন) বিকেলে অসুস্থ্য রুপালী আক্তার (২০) কে নিয়ে নেত্রকোণা আধুনিক সদর হাসপাতালে আসেন স্বামী আলামিন (৩০) ও শাশুড়ী হামিদা বেগম।কর্তব্যরত ডাক্তার

মাহমুদুর রহমান জানান, প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য রোগীকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়। স্বজনরা রোগীকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যেতে অপারগতা প্রকাশ করেন। কিছুক্ষণের মধ্যে রোগী মারা গেলে লাশ রেখে স্বামী ও শাশুড়ী দ্রুত হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যায়।জানা যায়, গৌরীপুর থানার হিম্মতনগর গ্রামের কাজিম উদ্দিনের মেয়ে রুপালী আক্তার (২০) কে পূর্বধলা থানার জুগিরগুহা গ্রামের ফজলুর রহমানের ছেলে আলামিন (৩০) প্রায় ২ বৎসর পূর্বে সামাজিকভাবে বিবাহ করেন। বিবাহের

পর তাদের ৭ মাসের একটি পুত্র সন্তান আছে।ভিকটিম রুপালী আক্তারের মা নিলুফা আক্তার জানান, তার মেয়ে রুপালী আক্তার সকাল ১০টায় ফোন করে তাকে নিয়ে যেতে অনুরোধ করেন। বিকাল ৩টায় জামাই আলামিন ফোন করে জানান, রুপালী অসুস্থ্য নেত্রকোণা আধুনিক সদর হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়েছে বলে ফোনের সংযোগ কেটে দেয়।নেত্রকোণা আধুনিক সদর হাসপাতাল

থেকে বিকাল ৩টায় রুপালীর বাবা কাজিম উদ্দিনকে ফোন দিয়ে জানানো হয় তার মেয়ে রুপালী আক্তার মারা গেছে। ফোনে মেয়ের মৃত্যুর খবর জানতে পেরে হাসপাতালে এসে কাজিম উদ্দিন জানতে পারে লাশ রেখে স্বামী আলামিন ও শাশুড়ী হামিদা বেগম পালিয়ে গেছে।নেত্রকোণা মডেল থানার এস আই নুরুল ইসলাম লাশটি হেফাজতে নিয়ে হাসপাতালের হিমঘরে রাখে।
পূর্বধলা থানার অফিসার ইনচার্জ শিবিরুল ইসলাম জানান, এ ব্যাপারে ২১জুন পূর্বধলা থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের হয়েছে। মামলা নং- ০৫।নেত্রকোণা আধুনিক সদর হাসপাতালে পোস্টমর্টেম শেষে ২২জুন ভিকটিমের বাবার কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে। মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে।

সূত্র- নেত্রকোনা জার্নাল

Check Also

১৩ কোটি টাকায় প্রাণ ফিরবে সাত মরা খালে

বরিশাল নগরীতে দুই পাড় দখল হওয়া সাতটি খাল সংস্কারের মাধ্যমে প্রাণ ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *