থাকেন ভারতে, বেতন তোলেন বাংলাদেশে

পল্লিবেড়া গ্রামের বাসিন্দা কবির হোসেন বলেন, চামেলী শিকদারের সন্তানেরা ভা’রতে থাকে। সেখানেই তারা লেখাপড়া করে। তাদের দেখভালের জন্য তিনি ভা’রতেই থাকেন বেশিরভাগ সময় সরকারি চাকরি করলেও তিনি অফিসে আসেন না। কারণ, বছরের বেশিরভাগ সময়েই তিনি থাকেন ভা’রতে। তবে প্রতি মাসে ঠিকই তুলে নিচ্ছেন বেতন-ভাতা। এমনই অ’ভিযোগ উঠেছে ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজে’লার পরিবার কল্যাণ সহকারী চামেলী শিকদারের বি’রুদ্ধে। চামেলী শিকদার উপজে’লার কাউলিবেড়া ইউনিয়নের পল্লিবেড়া গ্রামের সুশান্ত মাস্টারেরস্ত্রী’পরিবারকল্যাণসহকারীহিসেবে

কাউলিবেড়া ইউনিয়নের পল্লিবেড়া এলাকায় কর্ম’রত আছেন তিনি। স্থানীয়রা অ’ভিযোগ করেন, গত ১০ বছর যাবত তিনি ওই এলাকায় পরিবার কল্যাণের কোনো কাজ করেন না। তারা চামেলী শিকদারের থেকে সেবা পান না। কারণ, তিনি দেশেই থাকেন না। ইতোমধ্যে তিনি ভা’রতে বাড়ি তৈরি করেছেন। পল্লিবেড়া গ্রামের বাসিন্দা কবির হোসেন বলেন, চামেলী শিকদারের সন্তানেরা ভা’রতে থাকে। সেখানেই তারা লেখাপড়া করে। তাদের দেখভালের জন্য তিনি ভা’রতেই থাকেন বেশিরভাগ সময়। এ বিষয়ে ভাঙ্গার পরিবার কল্যাণ অফিসের কর্ম’রতদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে,চামেলী শিকদার তার কর্মস্থলে মাসের পর মাস অনুপস্থিত থেকেও বেতন উওোলন করেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অফিসের একাধিক কর্মচারী জানান, উধ্বর্তন কর্মক’র্তার সঙ্গে

স’ম্পর্কের সুবাদে চামেলী শিকদার এই দু’র্নীতির সুযোগ করে নিয়েছেন। এদিকে সম্প্রতি পল্লিবেড়াগ্রামবাসী চামেলী শিকদারের বিষয়টি বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অ’ভিযোগ করেছেন। ভাঙ্গা উপজে’লা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আজিম উদ্দিন বলেন, এ বিষয়ে অ’ভিযোগ পেয়ে ত’দন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উপজে’লা পরিবার পরিকল্পনা কর্মক’র্তা রবিন বিশ্বা’সঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “আমি সদ্য যোগদান করেছি। এখানে এসে চামেলী শিকদারকে কোনো দিনও কর্মস্থলে পাইনি। তবে ইউএনও স্যারের নির্দেশে তার বি’রুদ্ধে ত’দন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।” এ বিষয়ে চামেলীর সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে কর্মস্থল বা বাড়িতে পাওয়া যায়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.