Breaking News

হঠাৎ কঠোর আন্দোলনে রাস্তায় গার্মেন্টস শ্রমিকরা !

মিরপুরে গার্মেন্টস শ্রমিকদের আন্দোলনে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে পড়েছে। গন্তব্য স্থানে পৌঁছাতে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন সাধারণ মানুষ। অনেকে গন্তব্য স্থানে বাধ্য হয়ে হেঁটে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।

শনিবার (৮ মে) সকাল থেকে মিরপুরের গার্মেন্টস শ্রমিকরা ঈদের আগে বেতন-বোনাস পরিশোধ, এক সপ্তাহের ছুটি ঘোষণা ও শ্রমিকদের বাড়ি যেতে দূরপাল্লার পরিবহন চালুর দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন।

প্রথমে মিরপুর ১৪ নম্বরে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করলেও পরে তারা মিরপুর ১০ নম্বর বাসস্ট্যান্ডে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছেন। শ্রমিকদের আন্দোলনের কারণে মিরপুর এলাকার অধিকাংশ রাস্তায় যান চলাচল অচল হয়ে পড়েছে। এ কারণে অনেকে বাধ্য হয়ে পায়ে হেঁটে গন্তব্য স্থানে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন।

মিরপুর থেকে উত্তরা যাচ্ছিলেন চাকরিজীবী মাসুদ নামে এক ব্যক্তি। নির্ধারিত স্থানের বাস না পেয়ে মিরপুর ২ নম্বর থেকে পায়ে হেঁটে ১০ নম্বরে আসেন তিনি।

তার সঙ্গে কথা হলে তিনি জাগো নিউজকে বলেন, দুই নম্বর বাসস্ট্যান্ডে অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে ছিলাম। বাস না পেয়ে ১০ নম্বরে এসে দেখি আন্দোলন চলছে। এ কারণে বাধ্য হয়ে পায়ে হেঁটে সামনে যাচ্ছি। যেখানে বাস পাবেন সেখান থেকেই যাত্রা করবেন বলে জানান তিনি।

তার মতো এমন অনেককে বাস না পেয়ে পায়ে হেঁটে গন্তব্য স্থানে যেতে দেখা গেছে। এদিকে আন্দোলনকারী শ্রমিকরা বলছেন, ঈদের আর মাত্র পাঁচদিন বাকি রয়েছে। এখনো তাদের বেতন-বোনাস দেয়া হয়নি। ঈদের বন্ধের এক বা দুই দিন দিন আগে বেতন বোনাস দিলেও ঈদ কেনাকাটা করা সম্ভব হবে না।

তারা আরও বলেন, ঈদের ছুটি তিনদিন ঘোষণা করা হয়েছে। এসময়ের মধ্যে পরিবার পরিজনদের কাছে যাওয়া সম্ভব নয়। এই কারণে ঈদের ছুটির তিনদিনের বদলে সাতদিন করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

পাশাপাশি ছুটির মধ্যে শ্রমিকরা বাড়ি যেতে গণপরিবহন চালু রাখার দাবিও জানান। আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়া একাধিক শ্রমিক বলেন, মিরপুরের প্রায় ৩০টি গার্মেন্টসসের শ্রমিকরা এক হয়ে আমরা আন্দোলনে যোগ দিয়েছি। আমাদের অধিকার আদায়ে আমরা আন্দোলনে নামতে বাধ্য হয়েছি।

দাবি আদায় হওয়া না পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। এ আন্দোলন আরও কঠিন রূপ ধারণ করবে বলেও হুঁশিয়ারি করেছেন শ্রমিকরা।

Check Also

১৩ কোটি টাকায় প্রাণ ফিরবে সাত মরা খালে

বরিশাল নগরীতে দুই পাড় দখল হওয়া সাতটি খাল সংস্কারের মাধ্যমে প্রাণ ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েছে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *