1. ataurrahmanlabib2017@gmail.com : News Live : News Live
  2. sawontheboss4@gmail.com : Toufiq Hassan : Toufiq Hassan
January 17, 2022, 4:31 am

যাত্রীর চাপে গাড়ির জায়গা হলো না ফেরিতে

রিপোর্টার
  • আপডেট টাইম Friday, May 7, 2021
  • 115 Time View

মাদারীপুর: মাদারীপুর জেলার শিবচরের বাংলাবাজার ফেরিঘাটে হঠাৎ করেই ঘরমুখো যাত্রীদের ভিড় অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। ঈদের বাকি আরো এক সপ্তাহ থাকলেও দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের ঘরমুখো যাত্রা শুক্রবার (৭ মে) সকাল থেকেই শুরু হয়েছে।

বেলা সোয়া ১১টার দিকে শিমুলিয়া থেকে রোরো ফেরি এনায়েতপুরি শুধুমাত্র যাত্রী নিয়েই শিবচরের বাংলাবাজার ঘাটে এসে ভিড়ে। এসময় ফেরিতে কোনো গাড়ি ছিল না। ফেরিঘাট সূত্রে জানা যায়, যাত্রীদের চাপের কারণে শিমুলিয়া থেকে ফেরিটিতে কোনো গাড়ি উঠতে পারেনি। ফেরিটিতে ১২শ’ যাত্রী ছিল বলে ফেরিঘাট সূত্রে জানা গেছে।

বিআইডব্লিউটিসি’র বাংলাবাজার ফেরিঘাট সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার সকাল থেকেই দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলার যাত্রীদের চাপ রয়েছে। হাজার হাজার যাত্রী ঈদের আগেভাগেই বাড়ি ফিরতে শুরু করেছে। নৌরুটে রোরোসহ ১৪টি ফেরি চলাচল করছে। তবে যাত্রীদের সংখ্যা বেশি থাকায় ফেরিতে গাড়ি অপেক্ষাকৃত কম পার হচ্ছে। বেলা সোয়া ১১টার দিকে রোরো ফেরি এনায়েতপুরীতে কমপক্ষে ১২শ’ যাত্রী ছিল। ফেরিটিতে কোনো গাড়ি পার হয়নি। ফেরিতে গাড়ি পার্কিংয়ের জায়গা থেকে শুরু করে যাত্রীদের বসার জায়গাসহ সর্বত্র ছিল উপচে পড়া ভিড়।

বরগুনাগামী যাত্রী রিদয় হাসান বলেন, লঞ্চসহ দূরপাল্লার পরিবহন তো বন্ধ। ভেঙে ভেঙে বাড়ি ফিরতে হবে। নৌরুটে শুধুমাত্র ফেরি চলছে। আজ প্রচুর ভিড় ছিল ফেরিতে। করোনা পরিস্থিতিতে লকডাউন আর স্বাস্থ্যবিধি সব হ-য-ব-র-ল অবস্থা।

গোপালগঞ্জগামী যাত্রী আব্দুস শুকুর মিয়া বাংলানিউজকে বলেন, ফেরি ছাড়া তো আর কোনো নৌযান নাই। এ কারণেই ফেরিতে প্রচুর ভিড় যাত্রীদের। ঈদের আগেই পরিবার নিয়ে বাড়ি যাচ্ছি। সামনে আরো ভিড় বাড়তে পারে।

বরিশালের যাত্রী ফারজানা আক্তার বাংলানিউজকে বলেন, ঈদের আগ মুহূর্তে যাত্রীদের আরো ভিড় বেড়ে যায়। বাস চলে না। ভেঙে ভেঙে বাড়ি যেতে হবে। তাই কয়েকদিন আগেই বাড়ি যাচ্ছি।

বাংলাবাজার ঘাট সূত্রে জানা যায়, যাত্রীদের পারাপারের জন্য ফেরির বিকল্প কোনো নৌযান না থাকায় ফেরিতে যাত্রীদের প্রচুর চাপ রয়েছে। ঘাটে ফেরি ভিড়লেই যাত্রী উঠে যাচ্ছে। এতে করে গাড়ি উঠতে পারছে না ফেরিতে। বাধ্য হয়েই শুধু যাত্রীদের নিয়ে ফেরি চলাচল করছে। এদিকে গণপরিবহন বন্ধ থাকায় দূরপাল্লার যাত্রীরা শিবচরের বাংলাবাজার ঘাটে এসে বিপাকে পড়ছে। মাইক্রোবাস, থ্রি-হুইলার আর মোটরসাইকেলে যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছাতে হচ্ছে। পরিবার-পরিজন নিয়ে বাড়ি ফেরা যাত্রীদের দুর্ভোগ আরো বেশি। দীর্ঘপথ তাদের কয়েক দফা গাড়ি পাল্টে যেতে হচ্ছে। আর গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত ভাড়া।

বিআইডব্লিউটিসি’র বাংলাবাজার ফেরিঘাটের ব্যবস্থাপক সালাহউদ্দিন আহমেদ জানান, ফেরি চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। এখন থেকে ঈদের পরবর্তী এক/দেড় সপ্তাহ পর্যন্ত যাত্রীদের চাপ থাকবে ঘাটে। শুক্রবার সকালে একটি রোরো ফেরিতে কোনো গাড়ি ছিল না। শুধুমাত্র যাত্রী নিয়েই ফেরিটি শিমুলিয়া থেকে বাংলাবাজার ঘাটে আসে। সারাদিনই যাত্রীদের বেশ চাপ রয়েছে ঘাটে।

উল্লেখ্য, গত সোমবার ভোরে শিমুলিয়া থেকে ছেড়ে আসা একটি স্পিডবোট বাংলাবাজার ঘাট সংলগ্ন কাঁঠালবাড়ী ঘাটের কাছে নোঙর করে রাখা একটি বালুবোঝাই নৌযানের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এসময় ২৬ যাত্রী ঘটনাস্থলেই মারা যান। এ ঘটনার পর নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। লকডাউনে লঞ্চ ও স্পিডবোট বন্ধ থাকার কথা থাকলেও কিছু কিছু স্পিডবোট নিয়মভেঙে যাত্রী পারাপার করতো। শিমুলিয়া ঘাটের কিছুটা দূরে গিয়ে যাত্রী তুলে এসব স্পিডবোট বাংলাবাজার ঘাটে আসতো। আবার এই পাড়ের ঘাটের বাইরে গিয়ে নদীর বিভিন্ন স্থান থেকে যাত্রী তুলে শিমুলিয়া যেতো। নৌপথে নৌপুলিশের টহল থাকলেও নৌপুলিশকে ম্যানেজ করেই এ সব স্পিডবোট চলতো বলে একাধিক অভিযোগ রয়েছে।

শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এছাড়া আরো সংবাদ
2020সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | নিউজলাইভ 24.কম সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন
উন্নয়নেঃ সাইট পুল