1. ataurrahmanlabib2017@gmail.com : News Live : News Live
  2. sawontheboss4@gmail.com : Toufiq Hassan : Toufiq Hassan
October 24, 2021, 12:30 pm
শিরোনাম
দুধের শিশুকে কোলে নিয়ে অডিশনে বিচারকদের মন জিতলেন মা, সারেগামাপার মঞ্চে এই প্রথম মাস্ক পরতে বলায় রাগ, ব্যাংক কর্মীকে দিয়ে নগদ ৫.৮ কোটি টাকা গোনালেন কোটিপতি টিভি পর্দায় আলিঙ্গনের দৃশ্য সম্প্রচার নিষিদ্ধ করল পাকিস্তান মৃত্যু হবে দুপুরে, তাই কাফন পরে কবরে বসেছিলেন ১০৯ বছরের বৃদ্ধ! ঢাকাসহ ৬ বিভাগে বৃষ্টির আভাস ইউটিউব দেখে কবিরাজি করতো তিনি, ফোনে নারীদের অশ্লীল ভিডিও ক্ষেত নিড়ানি, কৃষিকাজ-মাছ চাষে ব্যস্ত নব্বই দশকের জনপ্রিয় নায়ক নাঈম অন্তরঙ্গ মুহূর্তে প্রেমিকের জিহ্বা কেটে নিল প্রেমিকা বন্ধুর মেয়ে সারার সঙ্গে প্রেম করছেন অক্ষয়! কবে থেকে বাড়বে ক্লাসের সংখ্যা, বললেন শিক্ষামন্ত্রী

ঢাকা মেডিকেলে চান্স পাওয়া এক পান দোকানদারের ছেলের গল্প

রিপোর্টার
  • আপডেট টাইম Monday, April 12, 2021
  • 62 Time View

ছোটবেলা থেকেই খুব মেধাবী ছিলেন মেহেদী হাসান পিয়াল। সব বোর্ড পরীক্ষায় পেয়েছেন জিপিএ-৫। দাদার স্বপ্ন ছিল নাতি একদিন ডাক্তার হবে। সে ইচ্ছে পূরণ হয়েছে। তার নাতি মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় পাস করেছেন। মেহেদী হাসান পিয়াল ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার দরিরামপুর মেদারপাড় আকন্দ বাড়ির আব্দুল কাদের আকন্দ কাজলের ছেলে। দুই ভাইয়ের মধ্যে পিয়াল বড়। ছোট ভাইয়ের নাম তুহিন। সে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণিতে লেখাপড়া করে।পিয়ালের বাবা আব্দুল কাদের আকন্দ কাজল পেশায় একজন পান বিক্রেতা।

তিনি ত্রিশালে টঙ দোকানে বসে পান বিক্রি করেন। পিয়াল স্থানীয় শুকতারা বিদ্যানিকেতন থেক জিপিএ-৫ পেয়ে পিএসসি ও জেএসসি পাস করেন। ত্রিশালের সরকারি নজরুল একাডেমি থেকে জিপিএ-৫ পেয়ে এসএসসি পাস করেন। পরে সরকারি আনন্দ মোহন কলেজ থেকে জিপিএ-৫ পেয়ে এইচএসসি পাস করেন।২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় জাতীয় মেধা তালিকায় ৩০তম স্থান অর্জন করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ভর্তি হওয়ার সুযোগ পান পিয়াল। মেহেদী হাসান পিয়াল বলেন, আল্লাহ তায়ালার কাছে শুকরিয়া ও বাবা-মায়ের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

সকলের চেষ্টা ও দোয়ার কারণেই আজ এতদূর আসতে পেরেছি। জাতীয় মেধায় ৩০তম হওয়া অনেক বড় অর্জন।পিয়াল আরও বলেন, লেখাপড়ার ক্ষেত্রে বাবা-মার পরই আমার শিক্ষকদের অবস্থান। যখন আমি স্কুলে পড়তাম তখন ক্লাসে খুব চুপচাপ থাকলেও রেজাল্টের কারণেই আমার প্রতি শিক্ষকদের মনোযোগ ছিল। আমার রেজাল্ট সব সময়ই ভালো ছিল ও ক্লাসের ফার্স্ট বয় ছিলাম। সেদিক বিবেচনায় শিক্ষকদের বিশেষ নজরে ছিলাম আমি।

তারা আমাকে সব সময় সার্বিক দিক দিয়ে প্রেরণা যুগিয়েছে। প্রথম শ্রেণি থেকে শুরু করে এইচএসসি পর্যন্ত বাবা-মায়ের অবর্তমানে শিক্ষকরাই আমার অভিভাবক ছিলেন।বাবা আব্দুল কাদের তার অভাবের সংসারে দুই ছেলেকেই পড়াশোনা করানোর ব্যাপারে কখনো কৃপণতা করেননি।তিনি আরও বলেন, ‘সে অধ্যবসায়ী এবং আত্মবিশ্বাসী। তাকে আমি খু্ব কাছ থেকে দেখেছি। আমার বিশ্বাস সে একজন দক্ষ, পরোপকারী ও স্বনামধন্য ডাক্তার হবে।

’ পিয়ালের মা মিনারা বেগম বলেন, ‘পিয়াল দ্বিতীয় শ্রেণিতে থাকা অবস্থায় কোরআন পড়তে শেখে। তখন থেকেই সে নিয়মিত নামাজ পড়ে। তার দাদার স্বপ্ন ছিল পিয়াল ডাক্তার হবে। আল্লাহ তার ইচ্ছা পূরণ করেছেন। আমরা আশাবাদী পিয়াল বড় ডাক্তার হয়ে মানুষের সেবা করবে।’ পিয়ালের বাবা আব্দুল কাদের কাজল বলেন, ‘আল্লাহর অশেষ রহমত, শিক্ষকদের চেষ্টা ও কঠোর পরিশ্রমের কারণে আমার ছেলে মেডিকেলে চান্স পেয়েছে।

আমরা এজন্য শিক্ষকদের প্রতি কৃতজ্ঞ।’ ত্রিশালের সাইন্স ল্যাব শিক্ষা পরিবারের পরিচালক সাজেদুল ইসলাম সাজু বলেন, ‘পিয়াল নবম শ্রেণি থেকে সাইন্স ল্যাব শিক্ষা পরিবারে নিয়মিত পড়াশোনা করত। সে খু্ব বিনয়ী, নম্র-ভদ্র, ধার্মিক। সে নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে।’শুকতারা বিদ্যানিকেতনের প্রধান শিক্ষক মো. কামাল হোসেন আকন্দ বলেন, ‘পিয়াল ছোটবেলা থেকেই খুব মেধাবী। তার ইচ্ছা ও আগ্রহ দেখে মনে হয় সে তার লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবে।’

শেয়ার করুন...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এছাড়া আরো সংবাদ
2020সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | নিউজলাইভ 24.কম সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন
উন্নয়নেঃ সাইট পুল