Breaking News

পেনশন পাবেন না- দ্বিতীয় বিয়ে করলে !

পেনশন পাওয়া অবস্থায় দ্বিতীয় বিয়ে করলে স্বা’মী বা স্ত্রী পারিবারিক পেনশন পাবে না বলে জানিয়েছে স’রকার। এ বি’ষয়ে ২০১৮ সালের ১ এপ্রিলের অর্থ বিভাগের স্পষ্টকরণ চিঠি সম্প্রতি হিসাব মহানিয়ন্ত্রকের কাছে পাঠানো হয়েছে। পেনশন ভোগরত অবস্থায় দ্বিতীয় বিয়ে করলে পেনশনারের মৃ’ত্যুর পর দ্বিতীয় স্ত্রীর পারিবারিক পেনশন প্রাপ্যতা প্রস’ঙ্গে চিঠিতে বলা হয়েছে,

অর্থ বিভাগের স্মারকটির বি’ষয়ে স্পষ্টকরণের লক্ষ্যে নিম্নরূপ সি’দ্ধান্ত নির্দেশক্রমে জানানো হলো: ‘পেনশন ভোগরত অবস্থায় দ্বিতীয় বিয়ে বন্ধ’নে আবদ্ধ হলে পেনশনারের মৃ’ত্যুর পর তার দ্বিতীয় স্ত্রী/স্বা’মী পারিবারিক পেনশন প্রাপ্য হবেন না।ডিভোর্সের পরও সাবেক স্ত্রী নিয়ে কক্সবাজারে গেলেন প্রধান শিক্ষক, ফেসবুকে তোলপাড়!

ধর্মান্তর হয়ে মু’সলিম না’রীকে বিয়ের এক বছর পর স্ত্রীর অজান্তেই তালাক দিয়ে আবার তাকে নিয়েই কক্সবাজারে বেড়াতে যান টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজে’লার পাথরাইল বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সেই প্রধান শিক্ষক দীনো বন্ধু প্রামানিক।এমনটাই অভিযোগ তুলেছেন তার তালাকপ্রা’প্ত স্ত্রী মনোয়ারা সিদ্দিকী। এদিকে, স্ত্রীর অধিকারের দাবিতে ওই না’রী আ’দালতসহ

সাধারণ মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। দীনো বন্ধুর বাড়ি মির্জাপুর উপজে’লার ভূষন্ডি গ্রামে।ধর্মান্তর হয়ে মু’সলিম না’রীকে বিয়ের বি’ষয়টি নিয়ে গত ৩১ মার্চ ‘ধর্মান্তর হয়ে প্রধান শিক্ষকের বিয়ে অতঃপর স্ত্রী’কে অস্বীকৃতি’ শিরোনামে গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশ হয়।এরপর বি’ষয়টি নিয়ে টাঙ্গাইলের বিভিন্ন মহলে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম

ফেসবুকেও প্রধান শিক্ষকের এমন কর্মকাণ্ডের প্র’তিবাদ জানান। মনোয়ারা সিদ্দিকী বলেন, গত ২৮ জানুয়ারি আমার স্বা’মী দীনো বন্ধু প্রামানিক ওরফে দ্বীন ইসলাম আমাকে তালাক দেন। কিন্তু বি’ষয়টি আমার জানা ছিল না। আমি গত ১৬ মার্চ আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয়দের সাথে কক্সবাজারে বেড়াতে যাই। আমরা সবাই সি-সান কটেজে উঠি।

এরপর ১৯ মার্চ আমার স্বা’মী দ্বীন ইসলাম ফোনে যোগাযোগ করে তিনি কক্সবাজার যান।ওইদিন স্বা’মী পরিচয়ে হোটেলের পরিচয়বহিতে স্বাক্ষর দিয়ে ৪০৮ নম্বর রুমে সন্ধ্যা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত তিনি আমার সাথে থাকেন।সেখানে একসাথে ছবি তুলতে চাইলেও তিনি ছবি তুলতে আ’গ্রহ দেখায়নি। এরপরও কয়েকটি ছবি তুলি।অ’জ্ঞাত কারণে রাতে তিনি অন্য একটি হোটেলে চলে যান। পরদিন সকালে আবার হোটেলে এসে আমাকে নিয়ে টেকনাফে বেড়াতে যান।

২১ মার্চ কক্সবাজার থেকে ফিরে অ’জ্ঞাত ব্যক্তির মাধ্যমে তালাকনামা হাতে পাই। যাতে ডিভোর্সের তারিখ রয়েছে ২৮ জানুয়ারি।আমাকে ডিভোর্স দিয়ে ডিভোর্সের খবর না জানিয়ে তিনি আমার সাথে কক্সবাজার যাওয়ায় আমি হতভম্ব হই।তিনি বলেন, আমার প্রথম স্বা’মী অন্যত্র বিয়ে করায় আমাদের ডিভোর্স হয়। দীর্ঘ ১৭ বছর পর দ্বীন ইসলামের প্ররোচনায় পড়ে আমি দ্বিতীয় বিয়ে করি । এই ব’য়সে আমি ঘর ছাড়া হতে চাই না। আমি আমার স্বা’মীর সাথে সংসার করতে চাই।

প্রস’ঙ্গত, টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজে’লার পাথরাইল বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দীনো বন্ধু প্রামানিক ধর্মান্তর হয়ে ইসলাম ধর্মগ্রহণ করে দ্বীন ইসলাম নাম রাখেন। এরপর ২০১৭ সালে টাঙ্গাইল শহরের একটি মার্কে’টে প্রধান শিক্ষক দিনোবন্ধু প্রামানিকের সাথে পরিচয় হয় মনোয়ার সিদ্দিকা নামে ওই গৃহবধূর।দিনোবন্ধু প্রামানিক দোকান কেনার কথা বলে কৌশলে ওই গৃহবধুর সাথে সম্প’র্ক করেন। সম্প’র্কটি এক পর্যায়ে প্রেমের সম্প’র্কে গড়ায়।তাদের দুজনের প্রেমের সম্প’র্ক হওয়ার সুবাধে ওই গৃহবধূকে ভারতের শিলিগুঁড়ি দার্জিলিং-এ নিয়ে দুইবার চিকিৎসা করান তিনি।

২০২০ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি ঢাকার সাভার পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ড কাজী অফিসে গিয়ে কাজী মুমিনুল ইসলামের মাধ্যমে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজে’লার ভাতকড়া দূর্গাপুর গ্রামের মোজাফ্ফর হোসেন ও রোমিছা বেগমের তালাকপ্রা’প্তা] ওই মে’য়ে মনোয়ার সিদ্দিকীর সাথে চার লাখ টাকা দেনমোহরে বিয়ে হয়। বিয়েতে সম্মতি করতে ওই দিনই ঢাকা নোটারি পাবলিক থেকে এফিডেভিট করে দীনো বন্ধু নাম পরিবর্তন করে দ্বীন ইসলাম হন।এছাড়াও একবার কলকাতায় ঘুরতেও নিয়ে যান প্রধান শিক্ষক। অতঃপর স্ত্রী’কে অস্বীকৃতি জানালে গত ৯ মার্চ টাঙ্গাইল জুডিসিয়াল ম্যা’জিস্ট্রেট আ’দালতে দীন ইসলামকে আ’সামি করে মা’মলা করেন।

Check Also

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় যেভাবে হবে মানবণ্টন

এ বছর এসএসসি ও এইচএসসিতে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে তিনটি বিষয়ে প্রত্যেক পত্রে ৩২ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *