কাঁদলেন সাবিনা ইয়াসমিন, কাঁদলেন ভাগনে আগুনও

কণ্ঠশিল্পী সাবিনা ইয়াসমীন আর আগুন সম্পর্কে খালা-ভাগনে। সাবিনার বড় বোন নীলুফার ইয়াসমীন মারা গেছেন ১৮ বছর হলো। বড় বোন কণ্ঠশিল্পী নীলুফার ইয়াসমীনের মৃত্যুবার্ষিকীতে এসে কণ্ঠশিল্পী আগুনকে জড়িয়ে ধরে অঝোরে কাঁদলেন গানের ভূবনের আরেক কিংবদন্তি সাবিনা ইয়াসমীন। কান্না ধরে রাখতে পারেননি আগুনও। দুজনেই কাঁদলেন একসাথে।জানা যায়, মনোমালিন্যের কারণে প্রায় দুই দশক ধরে দেখা বা কথা হয়নি বোনের ছেলে আগুনের সঙ্গে সাবিনার। এবার মায়ের মৃত্যুবার্ষিকীর

অনুষ্ঠানে সেই খালার সঙ্গে দীর্ঘদিন পর দেখা। এক আবেগঘন পরিস্থিতির অবতারণা হলো এদিন। সাবিনা ইয়াসমীনের বড় বোন নীলুফার ইয়াসমীনের ছেলে কণ্ঠশিল্পী আগুন। পারিবারিক কিছু সমস্যা থাকায় দীর্ঘ কয়েক বছর দেখা হয়নি খালা ভাগনের। এছাড়া করোনার কারণে গেল দেড় বছর ধরে ঘর থেকে তেমন একটা বেরও হননি সাবিনা। তাই এতোবছর পর ভাগনেকে দেখে কেঁদে ফেললেন সাবিনা। সেই সাথে খালাকে কাছে পেয়ে কাঁদলেন আগুন। দুজনের আবেগ স্পর্শ করেছিল আশপাশের সবাইকে। সাবিনা

ইয়াসমীন ও আগুনের ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলোর মতে, দুই পরিবারের মধ্যে দূরত্ব শুরু হয় নীলুফার ইয়াসমীনের মৃত্যুর পর থেকেই। ১০ বছরের মতো সময় ধরে তাদের মধ্যে যোগাযোগ নেই। ঘটনাটির বিষয়ে সাবিনা ইয়াসমীন বলেছেন, ‘অমন কিছুই না। পারিবারিক ব্যস্ততার কারণে আমাদের অনেক বছর ধরে দেখা হয়নি। আসলে অনেক বছর ধরে দেখা নেই তো, তাই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ি। তা ছাড়া ওই দিন নীলুফার আপার মৃত্যুবার্ষিকী ছিল, সবকিছু মিলেই পরিবেশ-পরিস্থিতি এমনই ছিল যে চোখের

পানি ধরে রাখতে পারিনি। বছর ৬ হবে হয়তো আমাদের দেখা-সাক্ষাৎ হয় না। এটা দুজনের পেশাগত ব্যস্ততা কারণেই হয়নি। মনোমালিণ্যের কিছুই ঘটেনি। আগুনের সঙ্গে কথা না হলেও ওর স্ত্রীর সঙ্গে নিয়মিত কথা হতো। তার কাছ থেকেই আগুনের সব খবরাখবর পেতাম।’ গত ১০ মার্চ নীলুফার ইয়াসমীনের মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয় ঢাকার উত্তরা ক্লাবে। ওই দিন সন্ধ্যায় এমন আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। [বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সংকলতি অংশ তুলে ধরা হয়েছে।]

Leave a Reply

Your email address will not be published.