Breaking News

কোরআনের ৮শ বছরের পুরানো পাণ্ডুলিপি প্রদর্শন করলো তুরস্কের জাদুঘরে

তুরস্কের একটি জাদুঘরে পবিত্র কোরআনের ৮ শ বছরের প্রাচীন পাণ্ডুলিপি প্রদর্শনীতে রাখা হয়েছে। তুরস্কের উত্তরাঞ্চলীয় তোকাট জাদুঘরে তা দর্শনার্থীদের জন্য উম্মুক্ত করা হয়। হাতেলেখা প্রাচীন নিদর্শন আনাতোলিয়ার ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আর তাই আনাতোলিয়ার জাদুঘরের প্রদর্শনীতে কোরআনের প্রাচীন পাণ্ডুলিপির একটি অনুলিপি রাখা হয়েছে বলে জানান তোকাট প্রদেশের সংস্কৃতি ও পর্যটনবিষয়ক পরিচালক আডেম সাকের। প্রথমে তোকাট প্রদেশে এ প্রাচীন পাণ্ডুলিপির অনুসন্ধান মেলে।

অতঃপর ২০১০ সালে তা কোনয়া প্রদেশের জাদুঘরে স্থানান্তর করা হয়। পাণ্ডুলিপির পুনঃনিরীক্ষণের পর ২০১১ সাল থেকে জাদুঘরের প্রদর্শনীতে রাখা হয়েছে। কোরআনের পাণ্ডুলিপির বিবৃতি মতে তা ১১৯০ খ্রিস্টাব্দে লেখা হয়েছে। প্রাচীন পাণ্ডুলিপি হিসেবে তা অত্যন্ত বিরল একটি কাজ। প্রদর্শনীতে আরবি পাণ্ডুলিপির নিচে একটি অনুবাদও রাখা হয়েছে।
সূত্র ডেইলি সাবাহ

আরো পড়ুন-কানাডিয়ান তরুণীর ইসলাম গ্রহণ ‘একজন অমুসলিমের সর্বোত্তম সিদ্ধান্ত কানাডিয়ান তরুণীর ইসলাম গ্রহণ একজন অমুসলিমের সর্বোত্তম সিদ্ধান্ত’ কানাডা বংশোদ্ভূত ইংরেজি শিক্ষিকা জেনি মোলেন্ডিক ডিভলিলি অনলাইনে শিশুদের জন্য ইসলাম শিক্ষা প্রসারে ব্যাপক ভূমিকা পালন করছেন।
পাঁচ সন্তান নিয়ে তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শিশুদের জন্য শিক্ষা প্রদান করছেন ভাষাতত্ত্ব ও সাংকেতিক ভাষা নিয়ে গবেষণার কাজে ইসলামের সঙ্গে পরিচয় হয়। এরপর দীর্ঘ পড়াশোনার পর ২০০৬ সালে মোলেন্ডিক ডিভলিলি ইসলাম গ্রহণ করেন।

মোলেন্ডিক কানাডার একটি খ্রিস্টান পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা ছিলেন একজন পুলিশ অফিসার আর মা ছিলেন
একজন নার্স। ভাষাতত্ত্বে স্নাতককালে ও আমেরিকার সাংকেতিক ভাষার অনুবাদের সময় তিনি বিভিন্ন বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু করেন।
জীবনের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রশ্নের জবাব খুঁজতে গিয়ে তিনি মুসলিমদের সঙ্গে নানা বিষয়ে বিতর্ক শুরু করেন। মোলেন্ডিক বলেন, ‘আমি মুসলিমদের সম্পর্কে কিছুই জানতাম না। তাদের বিশ্বাস সম্পর্কে আমার কোনো ধারণ ছিল না। আমার জানা ছিল না যে আমরা একজন অভিন্ন নবীর প্রতি বিশ্বাস করি। ইসলাম নিয়ে আমি পড়াশোনা শুরু করি। সপ্তাহে একদিন আমাকে

মসজিদে সাংকেতিক বা ইশারা ভাষা অনুবাদের কাজ করতে হত। তখন থেকে আমি ইসলাম সম্পর্কে পড়াশোনা শুরু করি।’
তা ছিল আমার জীবনের সর্বোত্তম সিদ্ধান্ত। আমার জন্য নতুন এক জগত উম্মুক্ত হয় এবং নতুন জীবন শুরু করি। আমি উপলব্ধি করি যে ইসলামই সর্বোত্তম জীবন ব্যবস্থা।’ প্রথম দিকে মোলেন্ডিকের বাবা তাঁর ইসলাম গ্রহণের বিরোধিতা করেন এবং তাঁর সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের আহ্বান করেন। কিন্তু মোলেন্ডিক নিজের সিদ্ধান্তে অবিচল থাকেন। ২০১২ সালে তুরস্কের সামি ডিভলিলির সঙ্গে তাঁর দেখা হয়। এরপর তাঁরা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। বিয়ের প্রথম দিন থেকে তিনি হিজাব পরিধান শুরু করেন।

ইসলাম নিয়ে পড়তে গিয়ে মোলেন্ডিকের মনে হয়েছে, তাঁর নিজস্ব জীবনাচার ও সংস্কৃতি পুরোপুরি ত্যাগ করতে হবে। বিষয়টি নিয়ে অনেক দুশ্চিন্তায় পড়েন তিনি। কিন্তু একজন মুসলিম ব্যক্তিত্বের একটি আলোচনা শুনে তাঁর ভীতি কেটে যায়।

সূত্র : ডেইলি সাবাহ

Check Also

আফগানিস্তানে বুশ মার্কেটের নাম এখন মুজাহিদিন বাজার

আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমাদের চলে যাওয়ার পর দেশের বিভিন্ন স্থাপনার নাম বদলে ফেলছে তালেবান …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *