সেই সোনিয়ার বাসায় আফরোজা আব্বাস, বললেন ‘বিষফোঁড়া উপড়ে ফেলতে হবে’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে কটূক্তির গ্রেপ্তার রাজবাড়ী জেলা মহিলা দলের নেত্রী সোনিয়া আক্তার স্মৃতির বাড়িতে গেছেন দলটির সভাপতি আফরোজা আব্বাস। এসময় তার দলের নেত্রী সোনিয়া আক্তারকে রাতের অন্ধকারে গ্রেপ্তারের নিন্দা জানান। বলেন, ‘তার ছোট দুইটা বাচ্চা আছে। কোনো নারীকে এভাবে মধ্যরাতে গ্রেপ্তার করতে পারে না। ’

বৃহস্পতিবার সকালে রাজবাড়ী পৌরসভার বেড়াডাঙ্গা এলাকায় সোনিয়ার বাড়িতে গিয়ে এসব মন্তব্য করেন তিনি।আফরোজা আব্বাস বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সরকার জনগনের জন্য একটা বিষফোঁড়া। এই বিষফোঁড়া উপড়ে ফেলতে হবে। নয়তো বাংলাদেশের জনগনের শান্তি হবে না।’

‘সোনিয়া আক্তারকে রাতের অন্ধকারে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অথচ সকালেও তাকে গ্রেপ্তার করতে পারতো। তার ছোট দুইটা বাচ্চা আছে। কোনো নারীকে তো এভাবে রাত ১২টায় গ্রেপ্তার করতে পারে না’ বলে মন্তব্য করে মহিলা দলের সভাপতি বলেন, সোনিয়া এতটাই সাহসী যে তিনি গ্রেপ্তার এড়াতে চাইলে পালিয়ে যেতে পারতো। তিনি জানতেন তার ওপর এরকম একটা ঘটনা ঘটতে পারে। তবু তিনি বাসাতেই ছিলেন।

সোনিয়ার বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান খোঁজখবর নিয়েছেন এবং তার মুক্তির জন্য দল থেকে র্কমসূচি গ্রহণ করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এই সরকার আমাদের কথা বলার ক্ষমতাটুকু কেড়ে নিয়েছে। আমরা এর থেকে পরিত্রাণ চাই। আমরা সত্যি কথা বলতে চাই। কথা বলার স্বাধীনতা চাই। ’

তিনি বলেন, ‘আমাদের অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে দিবে না। চোরকে চোর বলতে পারবো না, ধর্ষণকারীকে ধষণকারী বলতে পারবো না। অন্যায়কারীকে অন্যায়কারী বলতে পারবো না। আবার যারা সন্ত্রাস করছে তাদের সন্ত্রাসী বলতে পারবো না। এ কোন দেশে বসবাস করছি।’

এসময় কেন্দ্রীয় মহিলাদলের সহ-সভাপতি সাবেক এমপি নেওয়াজ হালিমা আরলি, যুগ্ন সম্পাদক সাবেক এমপি হেলেন জেরীন খান, রাজবাড়ী জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়মসহ স্থানীয় নেত্রীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, ৪ অক্টোবর মধ্যরাতে রাতে ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে কুটুক্তি করার অভিযোগে রাজবাড়ী জেলা মহিলাদলের সদস্য সোনিয়া আক্তার স্মৃতিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।