শরীয়তপুরে আ.লীগের কেন্দ্রীয় নেতার ওপর হামলা

শরীয়তপুরের ডামুড্যায় ও গোসাইরহাট পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে শেষে ডামুড্যা উপজেলায় এসে দুর্বৃত্তের হামলার শিকার হয়েছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সৈয়দ আব্দুল আউয়াল শামীম।

সোমবার (৩ অক্টোবর) রাতে ডামুড্যা উপজেলা পরিষদে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় আব্দুল আউয়াল শামীমের সঙ্গে থাকা শরীয়তপুর জেলা শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদের সভাপতি সজল সিকদারসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। এছাড়াও উপজেলা পরিষদের চেয়ার টেবিল ও দুটি প্রাইভেট কার ভাঙচুর করে দুর্বৃত্তরা।

শরীয়তপুর জেলা শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদের সভাপতি সজল সিকদার অভিযোগ করে বলেন, ‘আমরা সারাদিন বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে ডামুড্যা উপজেলা চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন মাঝির আমন্ত্রণ রাতের খাবার খেতে আসি। এ সময় জুলহাস-মাদবরসহ ২০ থেকে ৩০ জন আমাদের ওপর হামলা চালায়। আমরা ১৫ জন আহত হই।’

আলমগীর মাঝি বলেন, ‘গোসাইরহাট উপজেলা থেকে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে আজ রাত পৌনে ৮টার দিকে আমার অফিসে নেতাকর্মীসহ নৈশভোজ করেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সৈয়দ আব্দুল আউয়াল শামীম। ডামুড্যা উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা জুলহাস মাদবর,

কাজল মাদবর, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বাচ্চু মাদবর, জয় মাদবর, ডামুড্যা সরকারি আব্দুর রাজ্জাক কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সানোয়ার হোসেন মিঠুসহ ২০-৩০ জন লোকজন হামলা করে। তারা শরীয়তপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য নাহিম রাজ্জাকের অনুসারী।’

উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বলেন, ‘হামলায় সজল সিকদারসহ কমপক্ষে ১৫ জন আহত হয়েছেন। এ সময় হামলাকারীরা আমার কার্যালয় ভাঙচুর করে। কার্যালয়ের নিচে থাকা গাড়ি ভাঙচুর করে। পরে পুলিশ সুপার ও জেলা প্রশাসককে জানালে পুলিশ প্রহরায় ভেদরগঞ্জের কার্তিকপুরের বাড়ি ফেরেন আউয়াল শামীম ‘

সৈয়দ আব্দুল আউয়াল শামীম বলেন, ‘আমাদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে।’অপরদিকে, শরীয়তপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য নাহিম রাজ্জাককে একাধিকবার ফোন দিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি।এ বিষয়ে ডামুড্যা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরীফ আহমেদ বলেন, ‌‘বিষয়টি শোনার পর দ্রুত সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ে নিয়ন্ত্রণে আনি। সেখানে কিছু চেয়ার আর গাড়ির গ্লাস ভাঙচুর করা হয়েছে। কেউ কোনও অভিযোগ করেনি। অভিযোগ করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

Leave a Comment