জেনেও শাকিবের তিন নম্বর বউ হইতে চাইলে সেটা তার প্রব.লেম: জায়েদ

জায়েদ খান দীর্ঘ এক মাস পর নিজ জেলা পিরোজপুর থেকে ঢাকায় ফিরেছেন। সেখানে জনকল্যাণমূলক কাজে ব্যস্ত ছিলেন বলে জানালেন অভিনেতা।’ একটি জাতীয় দৈনিকের সঙ্গে এক ভিডিও সাক্ষাৎকার দেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিত এই অভিনেতা।

শাকিব খানের মতো সুপারস্টারকে নিয়ে এফডিসির জুনিয়র শিল্পীদের ঢালাও মন্তব্য করা শোভনীয় নয় বলে মনে করেন জায়েদ খান। তিনি বলেন, ‘এফডিসির একজন জুনিয়র শিল্পী, যে কিনা একজন বস্তিবাসীর চরিত্রে অভিনয় করে, আমি তাকে ছোট করতে চাই না।

কিন্তু সে যদি শাকিব খান সম্পর্কে উল্টাপাল্টা মন্তব্য করে বসে তাহলে সেটা খুবই খারাপ। এসব হয়েছে এফডিসিতে অবাধ ইউটিউবারদের যাতায়াতের কারণে।’‘এক শাকিব খানের দোষ দিয়ে আপনি কী করবেন? যে মেয়ে জানতেছে যে তার আরো দুইজন বউ আছে―কথার কথাই ধরে নিলাম, সে যদি তিন নম্বর-চার নম্বর বউ হতে চায়, সেটাও তার প্রবলেম।

শিল্পীদের সমাধান নিজের মধ্যে সমাধান করে নেওয়া উচিত জানিয়ে জায়েদ খান বলেন, ‘একজন শিল্পী যদি তৈরি হয় সে তখন নিজের থাকে না, সে পাবলিক প্রোপার্টি হয়ে যায়। শিল্পীদের এই ব্যাপারগুলো দরজা আটকিয়ে বেডরুমের মধ্যেই শেষ হয়ে যাওয়া উচিত। সাংবাদিক পর্যন্ত আসা কখনোই উচিত না। এর চেয়ে অনেক বড় বড় ঘটনা ঘটেছে রাজ্জাক ভাইদের আমলে―আমি শুনেছি শিল্পী সমিতির সেক্রেটারি হওয়ার কারণে, রাজ্জাক ভাই-ফারুক ভাই, সোহেল রানা সাহেব, শাবানা আপাদের কেউ জানত না। জানতেই দেয়নি সাংবাদিকদের। বাসাতেই শেষ করে দিয়েছে। ’

এসবে শিল্পীদের সম্মান ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলে মনে করেন এই অভিনেতা। তিনি বলেন, ‘এখন কিছু হলেই ফেসবুক স্ট্যাটাস, পেজে শেয়ার, এই সাংবাদিককে জানিয়ে, ওই সাংবাদিককে দিয়ে নিউজ করা। এই নিউজগুলোতে আল্টিমেটলি সাংবাদিকদের সম্পর্ক নষ্ট হচ্ছে। শিল্পীদের জায়গাটা নষ্ট হচ্ছে, শিল্পীরা বাসা ভাড়া নিতে গেলে বাসা ভাড়া পাচ্ছে না, সুন্দরী কোনো মেয়ের সঙ্গে প্রেম করতে পারছে না। পছন্দ করছে না, ভালো ফ্যামিলির মেয়েও দেবে না―এটা কনফার্ম থাকেন। ভালো মেয়েরা সিনেমায় আসবে না। আল্টিমেটলি এই ক্ষতিটা পুরো চলচ্চিত্রের ওপরে হচ্ছে। ’

সাম্প্রতিক ইস্যুতে একা শাকিব খানের দোষ দেওয়া উচিত নয় বলে মনে করেন জায়েদ খান। তিনি বলেন, ‘এক শাকিব খানের দোষ দিয়ে আপনি কী করবেন? যে মেয়ে জানতেছে যে তার আরো দুইজন বউ আছে―কথার কথাই ধরে নিলাম, সে যদি তিন নম্বর চার নম্বর বউ হতে চায়, সেটাও তার প্রবলেম। প্রবলেম যে কারো একার তা না। এই জিনিসগুলো আসলে নিজেদের মধ্যে সমাধান হতে পারে।

শিল্পীদের ব্যক্তি লাইফ থাকতেই পারে। আমি কারো ব্যক্তি লাইফ নিয়ে কথা বলতে যাব না। সে যে কেউ হতে পারে। আমার কলিগ তিনি, একজন সুপারস্টার। তিনি বড় শিল্পী। তিনি নিশ্চয়ই তার গুণে, তার যোগ্যতায় এখানে এসেছেন। উনি সেটা ভালো বুঝবেন উনি কিভাবে জীবন যাপন করবেন। সেটা নিয়ে আমি কথা বলব না। ’

সকল শিল্পীর উদ্দেশে জায়েদ খান বলেন, ‘আমি শিল্পীদের প্রতিনিধি হিসেবে বলতে চাই, যেহেতু আমি শিল্পীদের প্রতিনিধিত্ব করি। শিল্পীদের জীবন নিয়ন্ত্রিত হওয়া উচিত। মানুষ জানানো উচিত না। বিতর্কিত ইস্যুগুলো ভেতরেই শেষ হয়ে যাওয়া উচিত। কারো ওয়াইফের সাথে বা তার প্রেমিকার সাথে মতবিরোধ হতেই পারে। তাকে ফোন করে ডেকে এনে রুমের মধ্যে এটা শেষ করে দেওয়া উচিত। ’

Leave a Comment